বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সরকারি বাসভবনে হামলা হয়েছে। হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা গুলি চালিয়েছেন। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য ইউএনওর বাসভবন ঘিরে রেখেছেন। ইউনএনও বাসায়ই অবস্থান করছেন। এদিকে আহতদের মধে সাতজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান রাত ১১টায়  ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী রাত সোয়া ১০টায় আমার বাসভবনে চড়াও হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে এবং গালিগালাজ করতে থাকে।

বরিশাল মহানগরের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে এ ঘটনার সূত্রপাত।

এদিকে গুলিবর্ষণের পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা কয়েকশ কর্মী নিয়ে ইউএনওর বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গাজী নইমুল ইসলাম লিটু বলেন, ইউএনও নিজে সিটি করপোরেশনের কাজে বাধা দেন এবং অশোভন আচরণ করেন। এর প্রতিবাদ করলে গুলিবর্ষণ করা হয়।

রাত পৌনে একটায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নগরীর পশ্চিমাংশে সিঅ্যান্ডবি সড়ক এলাকার সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।